শীতকালীন সবজিতে ভরপুর রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো। সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে সবজির দাম। সরবরাহ ভালো থাকায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ৪০ টাকা। একই সঙ্গে কাঁচা মরিচ
সবজির দাম
শীতের ভরা মৌসুমে শাক-সবজির দাম হাতের নাগালে থাকার কথা থাকলেও দাম ধরাছোঁয়ার বাইরে। সাধারণ ভোক্তার নাভিশ্বাস অবস্থার যেন শেষ হচ্ছে না! এর মধ্যেই আবার খবর এলো নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আরো বেড়েছে। খোদ সরকারি হিসাবেই পণ্যের দাম বাড়তির এ খবর জানাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবর মাসে ছিল মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.১৭%।
সবজির সেরা সময় শীতকাল আসি আসি করছে। কমেছে তাপমাত্রা। তবে সবজির বাজারের উত্তাপ এখনও কমেনি। উল্টো কিছু কিছু সবজির দাম বেড়েছে।
বিগত কয়েক মাস ধরে উচ্চ দামে থাকা সবজির দামে এই সপ্তাহে কিছুটা নরমভাব দেখা গেছে। রাজধানীর মানিকদী, ইসিবি চত্তর, মিরপুর ও কালশীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম কিছুটা হলেও কমেছে।
কৃষক থেকে রাজধানীর খুচরা বাজারে পৌঁছতে পৌঁছতে সবজির দাম বেড়ে প্রায় চার গুণ হয়ে যাচ্ছে। ঘন ঘন হাতবদল, চাঁদাবাজি ও বাজার তদারকির দুর্বলতায় কৃষক থেকে দামের এই পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। এতে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, ভোক্তাদেরও কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এ সমস্যা সমাধানে কৃষি বিপণনকে অনলাইন ও অফলাইন দুটিতেই শক্তিশালী করাসহ বাজারব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে হবে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিত্যপণ্যের বাজারে দফায় দফায় দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সবজি, ডিম, মাংস ও মাছের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি ক্রেতাদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে।
মানিকগঞ্জের হাটে বাজারে প্রচুর সবজি থাকলেও বৃষ্টির কারণে দাম অনেক বেশি। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বাজারে সবজির অভাব নেই।
টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জমে উঠেছে কাঁচাবাজার। অধিকাংশ কাঁচা পণ্যের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
ঈদের পরও নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না। বিশেষ করে চাল ও সবজির দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা
প্রতি বছর খরিপ মৌসুমে সবজির দাম বেশি থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। চলতি খরিপ মৌসুমে বগুড়ার বাজারে সবজির দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে রয়েছে